Currency-rate দেখার লিংক ও ডলারের মূল্য কিভাবে নির্ধারণ হয় জানুন
নিজস্ব প্রতিবেদক, গ্লোলিংক
ডলারের মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি মূলত একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এবং বৈশ্বিক বাজারের চাহিদার ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশে ডলারের দাম প্রধানত তিনটি পদ্ধতির সমন্বয়ে নির্ধারিত হয়। নিচে সহজভাবে এর প্রক্রিয়াগুলো তুলে ধরা হলো:
ডলারের মূল্য নির্ধারণের প্রধান ৩টি পদ্ধতি
১. চাহিদা ও জোগান (Demand and Supply)
এটিই ডলারের দাম বাড়া বা কমার মূল কারণ। বাজারে যখন ডলারের পরিমাণ (জোগান) কমে যায় কিন্তু মানুষের ডলারের প্রয়োজন (চাহিদা) বেশি থাকে, তখন দাম বেড়ে যায়। ✓ জোগান আসে: রপ্তানি আয়, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ থেকে। ✓ চাহিদা তৈরি হয়: পণ্য আমদানি (যেমন: তেল, কাঁচামাল), বিদেশ ভ্রমণ এবং ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্য।
২. ফ্লোটিং এক্সচেঞ্জ রেট (Floating Exchange Rate)
বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এই পদ্ধতি অনুসরণ করে। এখানে সরকার সরাসরি দাম নির্ধারণ করে না, বরং বাজার নিজে থেকেই প্রতিদিনের লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে ডলারের দাম ঠিক করে। ✓ বাজার ভিত্তিক: যদি আমদানির চাপ বেশি থাকে, তবে ডলারের দাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায়।
৩. ক্রলিং পেগ (Crawling Peg) পদ্ধতি
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে এই নতুন পদ্ধতি চালু করেছে। এতে ডলারের একটি নির্দিষ্ট সীমানা (Band) নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। ✓ নিয়ন্ত্রিত পরিবর্তন: বাজার অনুযায়ী ডলারের দাম ওঠানামা করতে পারলেও তা যেন হঠাৎ অনেক বেশি না বেড়ে যায়, সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি মধ্যবর্তী রেট বা 'করিডোর' ঠিক করে দেয়।
currency-rate দেখার লিংকঃ https://www.glolink.link/currency-rate
আপনার বয়স কত দেখুন | আজকের সোনা রূপার দর | ডলার রেট